আমাদের জিবনে কারকার এমন অবস্হা হয়েছে। কালো জাদুর ভয়াবহতা!!
আমাদের জিবনে কারকার এমন অবস্হা হয়েছে। কালো জাদুর ভয়াবহতা!!
রোগী ছিল ৬ বছর বয়সী একটি শিশু। পরিবারের কাছে শিশুটির সমস্যার কথা শুনে এবং লক্ষণ দেখে বুঝতে পারি শিশুটির নিজের কোনো সরাসরি সমস্যা নেই। বরং আসল সমস্যাটি তার মায়ের মধ্যে, আর সেই প্রভাব শিশুর ওপর খুব শক্তভাবে পড়ছে।
তাই আমরা শিশুটির মাকে অনুরোধ করলাম, তার ওপর রুকইয়াহ করা হবে, যাতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। কিন্তু তিনি হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন, রেগে গেলেন এবং স্পষ্টভাবে রুকইয়াহ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর তিনি রুমের ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।
আমি তখন তার বাবাকে বললাম, আপাতত তাকে কিছু না বলুন। আমি রুমের বাইরে থেকেই রুকইয়াহ করব। এরপর আমি বাইরে দাঁড়িয়ে কিছু আয়াত পড়লাম, নিয়ত ছিল আক্রান্ত সত্তাকে বেঁধে রাখা।
রুকইয়াহ শেষ হও-য়ার পর আমি তার মাকে বললাম, ঘরের ভেতরে গিয়ে তার অবস্থাটা দেখে আসতে। তিনি গিয়ে দেখেন তিনি উপুড় হয়ে শুয়ে আছেন, দুই হাত পিঠের পেছনে এমনভাবে রাখা যেন বাঁ|ধা,আ-ঙুলগুলো
বেঁকে আছে, মুখ শক্ত করে বন্ধ, ঠোঁট অস্বাভাবিকভাবে বের হয়ে আছে, দুই পা একে অপরের সঙ্গে পেঁচানো এবং তিনি সম্পূর্ণ অজ্ঞান।
এরপর আমরা তার ওপর আবার রুকইয়াহ শুরু করি, যাদু ন-ষ্ট করার নিয়তে, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় তার ওপর মৃ|ত কু|কু|রের ওপর করা যাদু রয়েছে। কু|কু|রটি বাঁ|ধা অবস্থায় ছিল এবং তার মুখের ভেতরে যাদুর বস্তু রাখা ছিল, মুখও বাঁ|ধা ছিল। মৃ|ত কু|কু|রের যাদুর কথা বলতেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যাই।
এছাড়াও তার সঙ্গে ছিল এক শক্তিশালী মারিদ জ্বিন, যে যাদুর খাদেম এবং আশিক ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে তাকে ধ্বং|স করা হয়েছে। তার শরীরের ওপর হাবস, অর্থাৎ দেহ আট|কে দেওয়ার প্রভা-বও ছিল।
আল্লাহর দয়ায় সবকিছু বাতিল হওয়ার পর তিনি ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে পান এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন।
সবশেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাসিহা,দ্বীনের ওপর অটল থাকতে হবে। নিয়মিত নামাজ আদায় করতে হবে। সকাল-সন্ধ্যার যিকির করতে হবে। সব সময় ওজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করতে হবে।
আর আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে ভুলবেন না। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম। আল্লাহ আমাদের এসব কালো জাদু থেকে হেফাজত করুণ। আনীন
Comments
Post a Comment